সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬
ছোট মানুষগুলো সবসময়ই নিষ্পাপ হয়।তাদের চিন্তা চেতনাগুলো ও তাদের মতই।ওরা জগত বুঝে না,নিজেদের মত একটা জগত তৈরী করে নেয়।তাদের চলা,কথা বলা,কচি কচি সব বায়না,গাল ফুলানো সব কিছুর মাঝেই কেমন একটা সরলতা কাজ করে।ছোট্ট একটা প্রশংসায় বিশ্বজয়ের আনন্দ ফুটে উঠে মুখাবয়বে।ওরা মানুষ হিসেবে খুব ছোট্ট একটা প্রাণী হলেও ওদের রয়েছে সূক্ষ্ম অনুভূতিবোধ।'সাইলেন্ট লিসেনার' বা 'সাইলেন্ট অবসারভার' শব্দগুলো অনায়াসে ওদের নামের সাথে যুক্ত করে দেওয়া যায়।আমরা যারা প্রভুর অসীম অনুগ্রহে মা বাবা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছি,তারাও ভুল করে ওদের কখনও কখনও গলগ্রহ মনে করতে কার্পণ্য করি না।ঘুম থেকে উঠা থেকে বিছানায় পিঠ লাগানো,এমনকি স্বপ্নেও আমরা তাদের উন্নতির জন্য মগজ মস্তিষ্ক জলাঞ্জলি দিয়ে বসে আছি।তবে সেটা আমাদের ধারাভাষ্যমতে।শুধু যেটা করছি না তা হল, তাদের মত করে,তাদেরকে একটু সময় দেওয়া। এক গবেষণায় উঠে এসেছে,সন্তান তার বাবা মায়ের কাছে চায় একটা 'প্রাইম টাইম' যেটা শুধু তাদের মত করে তারা তাদের বাবা কিংবা মায়ের সাথে কাটাতে পারে।এটা হতে পারে ১০ কিংবা ১৫ মিনিট বা তার চেয়ে বেশি,দিনে কিংবা রাতে।এই সময়টুকুতে আপনি আপনার সন্তানের তাই হয়ে যান, যা সে চায়।কোন আদেশ,উপদেশ, নিষেধ কিছুই বরাদ্দ থাকবে না তার জন্য,আপনার পক্ষ থেকে।চেষ্টা করুন,প্রতিদিন একই সময়ে এই 'প্রাইম টাইম' সেট করতে।পরিবর্তনটা চোখে পড়ার মতই হবে বলে আশা করা যায়।আপনার সন্তান প্রতিদিনই অপেক্ষা করবে এই সময়টুকুর জন্য।আপনি কখনও ভুল করে ভুলে গেলেও দেখবেন সে আপনাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।কিছুদিনের মধ্যেই তার চোখেমুখে আপনি দেখতে পাবেন এক অন্যরকম আত্মবিশ্বাস আর খুশির ঝিলিক। সেই আনন্দ নিঃসন্দেহে আপনাকেও করবে মাতোয়ারা।আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন,আপনি কিভাবে এক ছাদের নিচে থেকেও ছিলেন'আপন হয়েও পর'। 'সবার জীবন হোক সুন্দর'এই কামনাই রইল। লিখেছেন নাসরিন আক্তার সাথী নারী বিষক সম্পাদিকা
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানো বা বসা: কী বলে ইসলাম?
= পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানো বা বসা জায়েজ কিনা-এ নিয়ে আমাদের সমাজে মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। আসলে কোরআন, হাদিস ও সালফে-সালিহীনের বক্তব্যে এ ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন