সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

কিছু কায়েমি কথা

আমি তো মাদরাসার ছাত্র, কি হবে আমার ভবিষ্যৎ? আমি তো বিজ্ঞান বুঝি না, আমি তো কেমেস্ট্রি বুঝি না, আমি তো হেল্থ বুঝি না, আমি তো ভূগোল বুঝি না, তাহলে কিভাবে কাটাবো আমার আগামী?প্রিয় বন্ধু! এ ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন প্রতিনিয়তই পড়তে হয় একজন মাদরাসার ছাত্রকে তাইনা? তবে তুমি কি ঘাবড়ে গেছো?আমি সে সব চেতনাধারী বুদ্ধিজীবী সমাজকে সাধুবাদ(!) জানাই, যারা আমাদের তিরস্কারের ভাষায় বলে- হুজুর হয়ে কি করবে? মাদরাসা-মসজিদে তিন হাজার টাকার বেতনে ভাত জুটবে?আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলবো-আপনারা ত্রিশ হাজার টাকা বেতনে চাকরী করেন অথচ রাতে শান্তিতে ঘুমুতে পারেন না। অভাব যেন পিছুই ছাড়ছে না। এতো টাকা দিয়ে তো আপনি আপনার স্ত্রীর মনটাই জয় করতে পারেন না। আর একজন মাদরাসার শিক্ষক তিন-চার হাজার টাকা বেতন পেয়ে রাতে শান্তিতে ঘুমায়। অভাব যেন তাদের অচেনা কিছু। আর তাদের বিবিরা তো এতেই সন্তুষ্ট। ঘরুন বাংলার সবচেয়ে বড় বিদ্যাপীঠ ঢাবি থেকে আপনি বি.এস.সি. এর সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে আসতেছেন, ঠিক সেই এমুহূর্তে পেছন থেকে একটি গাড়ি এসে আপনাকে ধাক্কা দিলো আর আপনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে, তাহলে কী হলো আপনার ভবিষ্যৎ?একজন প্রফেসর অবসর নেয়ার পর তার শিক্ষার্থীরা তাকে ভুলে যায়, পক্ষান্তরে মাদরাসার শিক্ষক যত বৃদ্ধ হবে তার সম্মান বেড়েই যাবে।একজন নেতার পিছু তার কর্মীরা ঘোরে শুধু বিনিময় পাওয়ার লোভে। টাকা নেই তো নেতাও নেই। কিন্তু বাংলার বহু আলেম নেতার দরজায় হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে কিসের আশায়? বাংলার সকল শিক্ষার্থীর স্বপ্নের ক্যানভাস ঢাবির ভিসি তার শিক্ষার্থীর সামনে আসতে ভয় পায়, আল্লাহর কসম! একজন মাদরাসার শিক্ষকের পায়ে জুতা পড়িয়ে দিতে পারলে তার ছাত্ররা নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান মনে করে।বলো তো, এতো ভাগ্যবান হয়েও কি নিজেকে ধন্য মনে করবো না?প্রিয় বন্ধু! তুমি যদি মাদরাসার ছাত্র হয়ে নিজেকে ধন্য মনে করো তবে অন্তর থেকে বলো-আমি গর্বিত, আমি মাদরাসার ছাত্র।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানো বা বসা: কী বলে ইসলাম?

= পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানো বা বসা জায়েজ কিনা-এ নিয়ে আমাদের সমাজে মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। আসলে কোরআন, হাদিস ও সালফে-সালিহীনের বক্তব্যে এ ...